fbpx
skip to Main Content
কিভাবে রক্তে হিমোগ্লোবিন বাড়াবেন

মানুষের দেহের গুরুত্বপূর্ণ অংশ গুলোর অন্যতম হলো রক্ত বা প্লাজমা। রক্তের দুটি ভাগ থাকে। রেড ব্লাড সেল এবং হোয়াইট ব্লাড সেল। এদের মধ্যের রেড ব্লাড সেলটি আমাদের দেহের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। রেড ব্লাড সেলের মূল উপাদান হলো হিমোগ্লোবিন।

এখন কেন আপনার হিমোগ্লোবিন এর মাত্রা ঠিক থাকা লাগবে এবং এর ভূমিকাই বা কি আমাদের শরীরেঃ

হিমোগ্লোবিন অক্সিজেন এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে শ্বাস অঙ্গ থেকে কলা কোষে অক্সিজেন পরিবহন করে।হিমোগ্লোবিন কার্বন-ডাই-অক্সাইড এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে কর্বামিনো হিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে কলা কোষ থেকে কার্বন-ডাই-অক্সাইড ফুসফুসে পরিবহন করে।হিমোগ্লোবিন রক্তে অম্ল ও ক্ষারের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য বাফার হিসেবে কাজ করে।হিমোগ্লোবিন মল,মূত্র,পিত্তি ইত্যাদির বর্ণ গঠনে সহয়াতা করে।

এইতো দেখলেন এক নজরে কি কি কাজ করে হিমোগ্লোবিন আমাদের দেহে। এটা তো ম্যক্রো লেবেলের কাজ। আরো অনেক রেগুলেটরি সিস্টেমে সাহায্য করে থাকেন এই হিমোগ্লোবিন। তাই মানুষের হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিক রাখতে হয়। হিমোগ্লোবিনের মাত্রা পুরুষের 14-18 g/dl
স্ত্রীলোকের 12-15 g/dl নবজাতকে 23 g/dl হওয়া উচিৎ।

এখন আমাদের জানতে হবে কি কি খাবার আমাদের রক্তের হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।

১. মাংস

রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ দ্রুত বাড়াতে প্রয়োজন পর্যাপ্ত প্রাণিজ প্রোটিন। সকল ধরনের লাল মাংস; যেমন গরুর মাংস, খাসির মাংস এবং কলিজা আয়রনের সবচেয়ে ভালো উৎসগুলোর একটি। আয়রন হিমোগ্লোবিন উৎপাদনের জন্য জরুরি। মুরগির মাংস লাল মাংস না হলেও তাও দেহকে বিশাল পরিমাণে আয়রন সরবরাহ করতে পারে।

২. ফল

সবধরনের রসালো সাইট্রাস ফল, যেমন, আম, লেবু এবং কমলা ভিটামিন সি-র সবচেয়ে ভালো উৎস। আর দেহে আয়রন দ্রুত শুষে নেওয়ার জন্য ভিটামিন সি সবচেয়ে জরুরি। এর ফলে হিমোগ্লোবিন উৎপাদনের গতিও বাড়ে। স্ট্রবেরি, আপেল, তরমুজ, পেয়ারা এবং বেদানাতেও প্রচুর পরিমাণে আয়রন আছে।

৩. সামুদ্রিক খাদ্য

সামুদ্রিক খাদ্যে আয়রন এবং অন্যান্য খনিজ পুষ্টি উপাদান আছে প্রচুর পরিমাণে। সুতরাং অ্যানেমিয়া বা রক্তশুন্যতার রোগীদের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় অয়েস্টার, ক্লামস এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যকর সামুদ্রিক খাদ্য রাখতে হবে।

৪. কলাই বা শুটিজাতীয় খাদ্য

সয়াবিন, ছোলা এবং বিনজাতীয় খাদ্যে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে। সয়াবিন বর্তমানে সবজিভোজীদের জনপ্রিয় একটি খাদ্য। এ থেকে সুস্বাদু সব খাবার তৈরি হয় এবং রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়ায় দ্রুতগতিতে।

৫. পুর্ণশস্যজাতীয় খাদ্য

চাল, গম, বার্লি এবং ওটস রক্তশুন্যতায় আক্রান্ত রোগীদের জন্য চমৎকার আয়রন সমৃদ্ধ খাবার। এসব খাবার প্রয়োজনীয় কার্বোহাইড্রেটসও সরবরাহ করে। লাল চাল বিশেষ করে সব বয়সীদের জন্যই আয়রনের একটি সমৃদ্ধ উৎস বলে গণ্য হয়।

৬. সবজি

প্রতিদিন তাজা সবজি খেলে আয়রন ও অন্যান্য খনিজ পুষ্টি এবং নানা ধরনের ভিটামিনের ঘাটতি মিটবে। আলু, ব্রকলি, টমেটো, কুমড়া এবং বিটরুট আয়রনের ঘাটতি মেটাতে সক্ষম। এছাড়া স্পিনাক সহ অন্যান্য সবজিও বেশ আয়রন সমৃদ্ধ।

৭. ডিম

ডিম হলো আরেকটি জনপ্রিয় খাদ্য যাতে আছে উচ্চমাত্রার আয়রন এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান। ডিমের হলুদ কুসুমে আছে প্রচুর পরিমাণে খনিজ পুষ্টি এবং ভিটামিন। আর এ কারণেই দুর্বল লোকদেরকে প্রতিদিন সেদ্ধ ডিম খেতে বলা হয়।

৮. শুকনো ফল

কিসমিস, অ্যাপ্রিকট বা খুবানি এবং খেজুরে আছে প্রচুর আয়রন, ভিটামিন এবং আঁশ। এসব খাবার খেলে রক্তের হিমোগ্লোবিনের মাত্রাও বাড়ে দ্রুতগতিতে।

 ৯. বাদাম

যে কোনো ধরনের বাদামই মানবদেহের জন্য উপকারী বলে বিবেচিত হয়। যে কারণে তরুণদেরকে কাজু বাদাম, হিজলি বাদাম, চীনা বাদাম এবং আখরোট খেলে রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়ে দ্রুতগতিতে।

১০. ডার্ক চকোলেট

শিশুদের প্রিয় খাবার ডার্ক চকোলেটেও থাকে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। আর এ কারণেই এমনকি ডাক্তাররাও ডার্ক চকোলেট খেতে বলে।

১১. আপেল

দিনে একটি করে আপেল খেয়ে রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিক রাখতে পারেন। আয়রনের উৎস আপেলে আরো নানা পুষ্টি উপাদান রয়েছে। প্রতিদিন খোসাসহ একটি আপেল খান। অথবা সমানুপাতে আপেল ও বিটের রস মেশাতে পারেন।

১২. ডালিম

আয়রন, ক্যালসিয়াম, শর্করা ও আঁশসমৃদ্ধ ডালিম রক্তে হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধি করে দেহে রক্ত চলাচল সচল রাখে। প্রতিদিন মাঝারি আকৃতির একটি ডালিম খাওয়ার চেষ্টা করুন। অথবা এক গ্লাস ডালিমের জুস খান।

১৩. ভিটামিন সি যুক্ত খাবার 

হিমোগ্লোবিন বাড়াতে সাহায্য করে ভিটামিন সি যুক্ত  খাবারও। তাই জন্য খাওয়া যেতে পারে – কমলালেবু, পাতিলেবু, স্ট্রবেরি, মরিচ, পেঁপে, ব্রকোলি, আঙুর, টমেটো।

হিমোগ্লোবিনের বিষয়টা মহিলাদের ক্ষেত্রে বেশি ইম্পর্ট্যান্ট তাদের পিরিয়ড এবং ডেলিভারির সময় যদি হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কম থাকে তবে জীবন নাশ এর আশংকা থাকে। তাই আমাদের উচিৎ একটা নির্দিষ্ট সময় পরপর রক্তের হিমোগ্লোবিনের মত্রা চেক করানো। কমবেশি থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে উপরের খাবার গুলি গ্রহন করলে তবে সুস্থতা কামনা করা যেতে পারে।

This Post Has 6 Comments
  1. Instagram Follower Kaufen
    Instagram-Follower kaufen: mehr Trust und Reichweite für Ihre Brand
    Das Ziel, die Reichweite auf Instagram zu erhöhen, ist für viele Unternehmen und Influencer häufig nur schwer zu erreichen. Follower zu kaufen ist eine bewährte Methode, um die Instagram-Präsenz aufzubessern und mehr Menschen und potenzielle Kunden im beliebten sozialen Netzwerk zu erreichen.
    instagram follower kaufen

  2. Instagram Follower Kaufen
    Instagram-Follower kaufen: mehr Trust und Reichweite für Ihre
    Brand
    Das Ziel, die Reichweite auf Instagram zu erhöhen, ist für viele Unternehmen und Influencer häufig nur schwer
    zu erreichen. Follower zu kaufen ist eine bewährte Methode, um die Instagram-Präsenz aufzubessern und
    mehr Menschen und potenzielle Kunden im beliebten sozialen Netzwerk zu erreichen.
    Instagram Follower Kaufen

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!