fbpx
skip to Main Content
বাচ্চাদের খাবারে দই

বাচ্চাদের জন্য দধি। ব্যাপারটা শুনতে একটু খানি খটকা লাগতে পারে আমার বোনেদের কাছে। অনেক সময় ডাক্তার রা ১৮ মাসের আগে মায়ের দুধ ছড়া অন্য খাবার বারণ বা মাত্রা খুবই কম তার মধ্যে গরুর দুধ নিষেধ ও বলে অনেকে। কিন্তু দিন যাচ্ছে গবেষণা উন্নত হচ্ছে। আর এরই মাধ্যমে পুষ্টিবিদগণ জানিয়েছেন যে বাচ্চাদের কে অন্যান্য খাবারের পাশে একটু করে দধি খাওয়ান। এতে করে বাচ্চাদের শারীরিক গঠন কয়েকগুন বেশি সুঠাম হয়। নিচে দেখুন কে আর কি কি কারনে শিশুদেরকে আমরা দধি খাওয়াবো।

দধি শিশুর জন্য বেশ উপকারী। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং হজমে সাহায্য করে। এর মধ্যে রয়েছে ক্যালসিয়াম, প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, ভিটামিন বি, জিংক ও ফসফরাস। প্রতিদিন দধি খেলে হাড় ভালো থাকে। এটি শক্তিও জোগান দেয়। যদিও  দধি খেতে শিশু পছন্দ না করে, এর মধ্যে ফল বা চকলেট চিপস দিতে পারেন।

দই-তে থাকা ল্যাকটিক অ্যাসিডই বাড়িয়ে তোলে বাচ্চাদের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা। রোজ দই খেলে জীবাণু বাহিত পেটের রোগ, যেমন ডায়রিয়া, আমাশয়ের প্রকোপ থেকে বাঁচতে পারে বাচ্চারা। কলিকের সমস্যাও কমে।

বাচ্চার ঘুমের কমতি নিয়ে কম-বেশি সব মায়েরই বেশ অভিযোগ থাকে। এতে আপনি একটু বুদ্ধি খাটিয়ে বাচ্চার ডায়েটে ছোট্ট বেলাতেই ঢুকিয়ে দিন দই। একটানা ঘুম হবে ওর, নিশ্চিন্ত হবেন আপনি।

নানান পুষ্টি উপাদানে ভরা বলেই আপনার বাচ্চার বেড়ে ওঠার দিনগুলোয় দই কার্যত অপরিহার্য। ভিটামিন এ, সি, বি-৬, ডি, ই, কে আছে এতে। সেই সাথেই আছে ফোলেট, নিয়াসিন। দই-তে থাকা ক্য়ালসিয়াম, ফসফরাস, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, জিংক, সোডিয়াম আর বাকি খনিজই বাচ্চার সার্বিক বিকাশে দারুণ সাহায্য করে।

ছোট বেলাতে দেখা যায় অনেক বাচ্চার মূত্রনালীর সংক্রমণ বা ইউটিআইতে আক্রান্ত। এ ধরনের  হলে সেক্ষেত্রেও কাজে আসতে পারে দই। দই-তে থাকা প্রোবায়োটিক উপাদান সংক্রমণ সারিয়ে তুলবে, প্রস্রাবের সময় জ্বালা জ্বালা অনভূতিও দূর করবে।

ছোট বেলাতে রুটিন মাফিক জীবন যাপন না করায় বাচ্চারা জন্ডিসে আক্রান্ত হয়। লিভারে কোনও রকম সমস্যা থাকলেই এরোগ হানা দেওয়ার শঙ্কা থাকে বেশি। আপনার বাচ্চা যদি কোনও ভাবে জন্ডিসে আক্রান্ত হয়, ডাক্তারের বলা ওষুধের সাথে সাথেই দই খাওয়ান ওকে। উপকার পাবেন খবই দ্রুত ।

আমরা কেবল বলছি বাচ্চাদেরকে অন্য খাবারের সাথে একটু খানি করে নিয়মিত দধি খাওয়ান। কখনো বাচ্চার প্রধান খাবার হিসেবে দধি দিবেন না হিতে বিপরিত হতে পারে।তাই বাচ্চার সুস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে তাকে নিয়মিত পরিমিত পরিমান দধি খাওয়ান।

This Post Has 27 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!