fbpx
skip to Main Content
ব্যাক পেইনের সমাধান কি

শহুরে যান্ত্রিক জীবনের আরেক সমস্যা ব্যাক পেইন বা মাজায় ব্যাথা। এইতো সেদিন এক ছোট ভাই বলল সে নাকি চালের বস্তা উঠাতে গিয়ে মাজায় ব্যাথা পেয়েছে। সে নাকি জোরে মুভমেন্ট করতে পারেনা। এটা শুনে একটু হাসিও পেল আবার কষ্টও লাগলো। যদি এই মুভমেন্ট সমস্যা সমাধান না হয় তবে বলুনতো তার ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কিভাবে আসবে বা ভবিষ্যৎ অন্ধকারও বলতে পারেন।

আসলে আমরা দিনদিন দুর্বল হয়ে পড়ছি তাই এই ধরনের সমস্যা আমাদের সামনে হাজির হচ্ছে প্রতিনিয়ত। তবে জীবনের কিছু অভ্যেস পালটে ফেললেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

ব্যাক পেইন কেন হয় বা কিভাবে দূর করবেন আসুন বিস্তারিত জেনে নেই।

ব্যাক পেইন কেন হয়?

বিভিন্ন কারণেই ব্যাক পেইন হতে পারে। মূলত মেরুদণ্ড বা স্পাইন-সম্পর্কিত ব্যথাকেই আমরা ব্যাক পেইন বলে থাকি। স্নায়ু, পেশি, হারজোড় ইত্যাদি কারণেই ব্যাক পেইন দেখা যায়। মেরুদণ্ডের পেশি, স্নায়ু, হাড়ের জোড়া যদি সঠিক অবস্থানে সঠিক কাজ না করতে পারে, তাহলে ব্যথা সৃষ্টি হয়।

ব্যায়াম : ব্যাক পেইন থেকে উপশম পাওয়ার ভালো উপায় হলো নিয়মিত ব্যায়াম করা। হাঁটার মতো সাধারণ দৈনন্দিন কাজ ব্যথা থেকে মুক্তি দিতে পারে। বেশিক্ষণ বসার কারণে অঙ্গবিন্যাসের সমস্যার কারণে ব্যথা হয়। হাঁটার কারণে শরীর ভারসাম্য লাভ করে।

শরীরের স্থিতিস্থাপকতাঃ মাঝে মাঝে শরীর ছেড়ে দিন। এতে শরীরের স্থিতিস্থাপকতা বজায় থাকে। ব্যায়াম, অন্যান্য শরীরিক পরিশ্রম ও ঘুমানোর আগে শরীর কিছু সময়ের জন্য টানটান করে রাখুন। এটি উপকার দেবে।

ঘুম : সবসময় শক্ত পৃষ্ঠের উপর ঘুমানোর চেষ্টা করুন। নরম তোষক বা ফোম ব্যবহারে পিঠের ভারসাম্য বজায় থাকে না। এ ছাড়া ঘুমানোর সময় মেরুদণ্ডের ভারসাম্য রক্ষা করে একপাশে কাত হয়ে ঘুমান।

ওজন ঠিক রাখুন : ব্যাক পেইনমুক্ত থাকতে অতিরিক্ত ওজন কমিয়ে নিন। ফলমূল ও সবজির মতো সুষম খাবার খান। ওজন বাড়িয়ে তোলে এমন খাবার এড়িয়ে চলুন। ওজন কম হলে পিঠের ওপর চাপও কম পড়ে।

ধূমপানকে না বলুন : ধূমপান শুধু হৃদপিণ্ডের ক্ষতিই করে না, ব্যাক পেইনেরও কারণ হতে পারে। ধূমপানের কারণে মেরুদণ্ডের নিচের দিকে রক্তস্রোত কমে যায়। গবেষণায় দেখা গেছে অধূমপায়ীর চেয়ে ধূমপায়ীদের ব্যাক পেইনের হার বেশি।

ব্যাপ পেইন আসলেই একটা অতিক্ষুদ্র মারাত্মক ব্যাধি। এটা আপনাকে সবসময় কস্ট দেবেনা বাকি যে সকল সময়ে আপনি খুবই দুর্বল সেই সময়ে আপনাকে অতিরিক্ত পেইন দেবে। তাই কিছু নিয়ম কানুন মেনে চললেই ব্যকপেইন আস্তে আস্তে কমিয়ে আনা সম্ভব ।

This Post Has 6 Comments
  1. I’m extremely inspired with your writing talents as smartly as with the structure to your weblog. Is this a paid theme or did you customize it yourself? Either way keep up the excellent high quality writing, it is uncommon to peer a great blog like this one nowadays..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!