fbpx
skip to Main Content
মানব দেহের বিশেষ হরমোন কোন গুলো

আজকে শ্রাবণীর রেজাল্ট দিয়েছে । গোল্ডেন এ-প্লাস পাওয়াতে তার খুশি কে দেখে। বাবা বলেছিলো তাকে একটি গার্লস বাইসাইকেল কিনে দেবে। সেদিন দেখলাম ছোট বোন শ্রাবণীর খুশির কারনে সে রাতে ঘুমচ্ছেও না। বলুন তো সে কেনইবা এত খুশি অনুভব করলো আর রাতে খুশিতে কেন তার ঘুম আসছিলো না। এর কারন ডোপামিন হরমোন।

হরমোন কীঃ 

আমাদের শরীরে একটি রাসায়নিক ক্রিয়া রয়েছে যা বার্তাবহ বলা হয় । এই ক্রিয়াকলাপটি পুরুষ এবং মহিলা উভয়ের শরীরেই তার কার্য সম্পাদন করে। মানব দেহে হরমোন খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যা একজন ব্যক্তি কে রোগ থেকে রক্ষা করার কাজ করে। যদি হরমোনের ঘাটতির করণে । হরমোনের ক্রিয়াটি এন্ডোক্রাইন তৈরি করে। প্রজনন সমস্যার মধ্যে , ক্ষুধা হ্রাস, মেজাজ এবং আবেগ অনুভূতি যেমন আমাদের শরীরে ক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত করা হয়। হরমোন এই সকল সমস্যা কে নিয়ন্ত্রণ করার কাজ করে।

হরমোনের ধরণ ও কাজ:

ঘুম থেকে জেগে ওঠার ক্ষেত্রে একটি হরমোন রয়েছে। যাকে বলা হয় কেমিক্যাল ম্যাসেঞ্জার। এগুলো গ্রন্থি থেকে তৈরি হয়ে একজন আরেকজনকে মেসেজ পাঠায় যে, তোমাকে এই কাজটি করতে হবে। তারপর তাকে সাহায্য করে এবং কাজগুলো করিয়ে নেয়।

হরমোনগুলো আবার অনেকগুলো নিয়ম-শৃঙ্খলায় আবদ্ধ। প্রথম হরমোন তৈরি হয়, ব্রেন থেকে। ব্রেনের হাইপোথেলামাস নামক অংশ আছে। সেখান থেকে হরমোন তৈরি হয়। প্রিটোরিগ্রান্ট অংশে চলে আসে। যা আমরা দুইভাবে ভাগ করি। একটি সামনে, আরেকটি পেছনে পিঠে তৈরি। এটা খুবই ছোট একটা অংশ। যার ওজন ১০ থেকে মাত্র ১২ গ্রাম।

এন্টিনোকট্রিকো সামনের অংশ থেকে ছয়টা হরমোন তৈরি হয়। পেছনের অংশ থেকে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ হরমোন তৈরি হয়। পিটুইটার সামনের অংশ থেকে যে হরমোন তৈরি হয়, তারা সরাসরি কাজ করে বা অন্যান্য গ্রন্থিকে বার্তা পাঠায়।

অ্যান্টিনোকট্রিকো হরমোন ট্রাফিক আমাদের কিডনির সাথে সম্পর্কিত। তার উপরে রয়েছে সুপার অ্যানাল গ্রেন্ড।

সুপার অ্যানাল গ্রেন্ডের আবার দুটি অংশ। কটেক্স, আরেকটা হচ্ছে প্রিনোটার। এগুলো আমাদের রক্তের ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ করে। লবণের ওপর কাজ করে এবং সেক্স হরমোন তৈরি করে।

সেক্স হরমোনের সাথে ছেলে বা মেয়েদের বিষয়টি জড়িত। সেক্স হরমোনের শুরুটা প্রিটোটারি হরমোন থেকে আসে। প্রিটোটারি এইচএফএস এবং এলএস হরমোন। দু’টি হরমোনই মেয়েদের ক্ষেত্রে ওভারির উপর কাজ করে। ওভারি থেকে মেয়ে হরমোন ইস্ট্রোজেন প্রস্ট্রেশন তৈরি করে। আর ডিম্বাণু তৈরি করে।

পুরুষদের ক্ষেত্রে অন্ডকোষের ওপর এসে কাজ করে। শুক্রাণু তৈরি করে। অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি থেকে কিছু পরিমাণ সেক্স হরমোন তৈরি করে। এই ধরণটির প্রভাবে মেয়েদের শরীরে কিছুটা ছেলেদের হরমোন থাকে। যখন সেটা ভারসম্যহীন হয়ে যায়, তখনই নানারকম উপসর্গ তৈরি হয়।

থাইরয়েড স্টিমুলেটিং হরমোন। এসএইচ হরমোনটা এসে কাজ করে থাইরয়েডের উপর। থাইরয়েড থাকে আমাদের গলার সামনের দিকে। এগুলো প্রত্যেকটি কোষে কাজ করে।

হরমোন আমাদের দেহের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। এটি শরীরের ক্রিয়ার সাথে একযোগে কাজ করতে সহায়তা করে। হরমোন স্বাভাবিক হলে শরীরে কোনও সংবেদনশীলতা থাকে না। নারী বা পুরুষ উভয়ের দেহে হরমোনের ভারসাম্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। হরমোনের অভাব, মানুষের দেহে অগণিত ব্যাধি ছড়াতে শুরু করে, যার কারণে কিছু মারাত্মক রোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে। এ ছাড়া মহিলাদের মধ্যে হরমোনের অভাবে বিভিন্ন প্রকার এর যৌন সমস্যা শুরু হয় যেমন বন্ধ্যাত্ব ইত্যাদি।

This Post Has 12 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!