fbpx
skip to Main Content
হার্ট সুস্থের খাবারাদি

আমাদের শরীরের সবচেয়ে কোমল নমনীয় বস্তু হলো হৃদপিণ্ড বা হার্ট। একসময় হার্টের তেমন কোন চিকিৎসা পৃথিবীতে ছিলোনা। হার্টে সমস্যা হলে সবাই বুঝে নিত তার দিন ঘনিয়ে আসছে। কিন্তু বর্তমানে হার্ট-ট্রান্সপ্ল্যান্ট , ওপেন-হার্ট-সার্জারি সহ আরো অনেক উন্নতমানের চিকিৎসা আছে। কিন্তু খেয়াল রাখার বিষয় হলো হার্টের সমস্যা একবার শুরু হলে আপনি এর সমাধান খুঁজে পাবেন না। তাই যতই উন্নত চিকিৎসা পৃথিবীর ডাক্তারের কাছে থাকুক না কেন, আপনার হার্ট ১০০ বছর আগেও যেমন কোমল নমনীয় ছিলো এখন ও তাই। সুতরাং সঠিক যত্ন বা পরিমার্জিত

জীবন অনুশীলন দিতে পারে আপনাকে হার্টের সমস্যার থেকে মুক্তি।

হার্ট আমার আমাদের শরীরের এমন একটি  অঙ্গ যা নিয়ে আমরা বেশিক্ষণ গল্প গুজব ও করতে পারবোনা, বা এ নিয়ে আমরা কোন কিচ্ছা কাহিনীও শোনাতে পারবোনা।  আমরা শুধু কি কি কাজ করলে বা কি কি খাবারাদি খেলে বা ত্যাগ করলে আপনার হার্ট সুস্থ থাকবে এবং সুস্থ থাকবে আপনার আমার পরিবার সেটি নিয়ে আলোচনা করবো।

হার্ট সুস্থ রাখতে যে যে বিষয় আপনাকে ত্যাগ করতে হবেঃ

ধূমপান ত্যাগ করুনঃ যখন হেলদি হার্টের জন্য ধূমপান ত্যাগ করতে বলা হচ্ছে তখন আর কোনও প্রশ্ন বা সংশয় না রেখে অবশ্যই ধূমপান ত্যাগ করুন। ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর এবং এই অভ্যাস অতি দ্রুত ত্যাগ করা উচিত। ধূমপানের ফলে ক্যানসার হয় এবং শরীরের অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গেরও ক্ষতি হয়। তাই হার্ট সুস্থ রাখতে অবশ্যই ধূমপান ত্যাগ করুন।

ত্যাগ করুন এনার্জি ড্রিংকসঃ শক্তিবর্ধক এসব পানীয়কে ‘শত্রু’ হিসেবে গণ্য করুন। কেননা এসব পানীয় কোনোভাবেই আপনার কোনো ধরনের উপকারে আসবে না, উল্টো রক্তচাপ বাড়িয়ে মুহূর্তেই আপনাকে ধসিয়ে দেবে।

লবন খাওয়া কমিয়ে দিনঃ দৈনিক লবণ গ্রহণের পরিমাণ কমিয়ে দিন। খাদ্যে লবণের পরিমাণ বেশি থাকলে হাইপারটেনশন এবং হার্টের সমস্যা দেখা দেয়। লবণের পরিমাণ কমানোর পাশাপাশি আপনার জাঙ্ক ফুড খাওয়াও বন্ধ করে দেওয়া উচিত।

 

পাস্তা থেকে বিরত থাকুনঃ  সাদা পাস্তায় আছে কার্বোহাইড্রেট, সাধারণ চিনি। এতে যে চিনি থাকে তা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এতে ধমনীর দেয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঘটায় ইনফ্লামেশন। এই চিনি রক্তবাহী নালীগুলোকে সরু করে তোলে।

বরফে জমাট খাবার দূরে থাকুনঃ  ব্যস্ত জীবনে ফ্রিজে রাখা খাবার আমাদের নিত্যসঙ্গী হয়ে উঠেছে। মাছ, মাংস কিংবা সবজি সবই বরফে জমিয়ে রাখি আমরা। আবার কিছু খাবার ফ্রিজেই রাখা হয়। ফ্রিজে থাকা খাবারে থাকে ফ্যাট আর সোডিয়াম। এগুলো হৃদস্বাস্থ্যের জন্যে ঝুঁকিপূর্ণ।

ডিমের কুসুমঃ ডিমের সাদা অংশ খাওয়া গেলেও হৃদরোগীদের জন্যে ডিমের কুসুমটা এড়িয়ে চলাই উত্তম। কারণ ডিমের কুসুমে আছে উচ্চমাত্রার কোলেস্টেরল। দেখা গেছে, একটি বড় আকারের মুরগির ডিমে ১৮৬ মিলিগ্রাম পরিমাণ কোলেস্টেরল থাকে, তার পুরোটাই আছে কুসুমে। আর একজন হৃদরোগীর দিনে ২০০ মিলিগ্রামের বেশি কোলেস্টেরল গ্রহণ করা উচিত নয়।

বিস্কুট কমিয়ে ফেলুনঃ  ভালো বেকারির মজার বিস্কুটের লোভ সামলানো কঠিন। কিন্তু সাধারণ সাইজের একটি বিস্কুটে ৪৬০ মিলিগ্রাম সোডিয়াম থাকে। এর সঙ্গে বিস্কুট তৈরিতে আরো যোগ হয় ২ দশমিক ৫ গ্রাম সম্পৃক্ত ফ্যাট। এ ধরনের ফ্যাট রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।

সাদা চালঃ  এ ধরনের চাল এক ধরনের স্টার্চ। আর এটা প্রক্রিয়াজাত খাদ্যশস্য। ফলে এর পুষ্টি উপাদান এবং ফাইবারের বেশির ভাগই চলে যায়। আমাদের দেহ শস্যদানার চেয়ে অনেক দ্রুত স্টার্চ ভেঙে ফেলে। ফলে রক্তে হঠাৎ করেই গ্লুকোজ বেড়ে যায়। এটা হৃদরোগের ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

পনিরঃ  গবেষণায় বলা হয়, প্রতিদিন ৪০ গ্রাম পনির খেলে হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে। আমাদের দেশে ঘরে ঘরে না থাকলেও অনেকেই পনিরকে নিয়মিত খাবার বানিয়ে নিয়েছে। তাদের জন্যে খারাপ খবর আছে। পনিরে প্রচুর পরিমাণে সম্পৃক্ত ফ্যাট আর সোডিয়াম থাকে। এটা হৃদযন্ত্রের ক্ষতির কারণ।

চিংড়িঃ ক্যালোরি এবং ফ্যাট কম থাকলেও চিংড়িতে আছে প্রচুর পরিমাণ কোলেস্টেরল। যা হৃদরোগের কারণ। দেখা গেছে, সাড়ে তিন আউন্স ওজনের একপিস রান্না করা স্যামন মাছে যেখানে মাত্র ৬২ মিগ্রা কোলেস্টেরল, সেখানে একই পরিমাণ চিংড়ি মাছে পাওয়া গেছে ১৮৯ মিগ্রা কোলেস্টেরল।

কলিজা, মগজ, হাড়ের মজ্জাঃ কলিজা, মগজ, হাড়ের মজ্জা– এই অংশগুলোতে বেশি পরিমাণ কোলেস্টেরল থাকে। তাই যাদের হৃদরোগের আশঙ্কা আছে তাদের কলিজা, মগজ বা নেহারি জাতীয় খাবার বর্জন করা উচিত।

রেড মিটঃ গরু, খাসি, মহিষ, খাসি ও হাঁসের মাংসকে বলা হয় রেডমিট। এই রেডমিটের ফ্যাট বা কোলেস্টেরল হৃদরোগের কারণ। সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, রেডমিট ভেঙে কারনিটাইন নামে একটি যৌগ দেহে তৈরি হয়, যা ট্রিমাথাইলেমাইন এন অক্সাইড নিঃসরণ করে। আর এথেরোসক্লেরোসিস বা আর্টারিতে ব্লক সৃষ্টিতে এই ট্রিমাথাইলেমাইনের একটা সক্রিয় ভূমিকা রয়েছে।

অতিরিক্ত ভাজা ও তৈলাক্ত খাবারঃ ডিপ ফ্রাই খাবার মুখরোচক হয় তাতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু জানেন কি, খাবার যত ভাজা হয়, তার খাদ্যমান তত কমতে থাকে, তত যুক্ত হতে থাকে ক্ষতিকারক ফ্যাট? মাংস বা কোনো কিছু ভাজার সময় দেখবেন তেলের মধ্যে প্রচুর বুদবুদ উঠছে। এর কারণ হলো খাবারের ভেতরে যে পানি আছে, তেলে ছেড়ে দেয়ার ফলে তা বেরিয়ে আসছে এবং তেলের তাপ ও চাপে তা শুকোতে শুরু করেছে। ডিপ ফ্রাই হতে হতে পানি যখন পুরোপুরি শুকিয়ে যায়, বুদবুদ ওঠাও তখন বন্ধ হয়ে যায়। খাবারের ভেতরে পানির বদলে তখন ঢুকে যায় তেল। এমনিতেই মাংস বা এই জাতীয় খাবারগুলোতে আছে স্যাচারেটেড ফ্যাট, তার ওপর তেল যুক্ত হয়ে ফ্যাটের পরিমাণ আরও বেড়ে যায়।

মাছের মাথা-ডিমঃ রক্তের লিপিড প্রোফাইল বাড়িয়ে দেয় যে উপাদানগুলো, সেই এলডিএল বা ক্ষতিকর কোলেস্টেরল এবং ট্রাইগ্লিসারাইডের উৎস হলো মাছের মাথা ও ডিম।

উপরে উল্লেখিত খাবার গুলো থেকে যথাসম্ভব দূরে থাকুন আর যাদের অল্প বয়স ভাবছেন এখন না খেলে কখন খাবো তাহলে ভুল ধারনাতে আছেন। মুখরোচক খাবার খান তবে খুবই অল্প করে, মাত্রাতিরিক্ত কোন খাবারই শরীরের জন্য ভাল না। নিচে কিছু খাবারের কথা আমরা উল্লেখ করছি যেগুলো খেলে আপনার হার্টে সমস্যা না হওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশিঃ

রসুনঃ রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল হলো এলডিএল, রসুন এই এলডিএলের মাত্রা কমাতে দারুন উপকারী। পুষ্টিবিজ্ঞানীরা রসুনকে অভিহিত করেছেন প্রাকৃতিক এন্টিবায়োটিক হিসেবে। এছাড়াও রসুন উচ্চ রক্তচাপ ও রক্তে গ্লুকোজের মান নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। সেই সঙ্গে এটি ঠাণ্ডাজনিত যে কোনো সমস্যা এবং ফ্লু প্রতিরোধ করে। হৃৎপিণ্ডের সুস্থতা ও সার্বিক সুস্বাস্থ্যের জন্যে প্রতিদিন রসুনের একটি কোষ খান।

টক দইঃ চিনি ছাড়া দই অর্থাৎ টক দই হৃৎপিণ্ডের পাশাপাশি পুরো শরীরের জন্যেই অত্যন্ত উপকারী। করোনারি হৃদরোগ ও উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন যারা, তাদের জন্যে টক দই বিশেষভাবে উপকারী। টক দই আপনার পরিপাকতন্ত্রের সুস্থতা ও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। সেই সঙ্গে এটি ত্বকের জন্যেও উপকারী। তাই প্রতিদিন এক কাপ টক দই খাবেন।

মিষ্টি আলুঃ আলু বেশি খেলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ে, সাধারণভাবে এমনটাই মনে করা হয়। কিন্তু  মিষ্টি আলু এর ব্যতিক্রম। কারণ মিষ্টি আলু লো-গ্লাইসেমিক ইনডেক্স খাবার। আর মিষ্টি আলুতে আছে দ্রবণীয় আঁশ, ভিটামিন এ এবং লাইসোপেন, যা হার্টের জন্যে উপকারী।

সয়াদুধঃ সয়াদুধ বা সয়াপ্রোটিন প্রথম শ্রেণির উদ্ভিদজাত প্রোটিন। এটি গরুর দুধের বিকল্প এবং শতভাগ কোলেস্টেরল মুক্ত। হৃদরোগীরা গরুর দুধের বিকল্প হিসেবে সয়াদুধ/সয়াপ্রোটিন ড্রিংকস প্রতিদিন ২৫০ মিলি খেতে পারেন। বাজার থেকে সয়াবিন কিনে নিয়ে আপনি নিজেই বাড়িতে বসে সয়াদুধ তৈরি করে নিতে পারেন।

স্পিরুলিনাঃ স্পিরুলিনা হলো অতিক্ষুদ্র আণুবীক্ষণিক নীলাভ সবুজ সামুদ্রিক শৈবাল, যা একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ খাদ্য হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। জাতিসংঘ স্পিরুলিনাকে একবিংশ শতাব্দীর খাদ্য হিসেবে ঘোষণা করেছে। স্পিরুলিনাতে দুধের চেয়ে ২০ গুণ, ডিমের চেয়ে ছয় গুণ এবং মাছ ও মাংসের চেয়ে তিন গুণ প্রোটিন রয়েছে, যা সম্পূর্ণ কোলেস্টেরলমুক্ত। আরও এতে রয়েছে পর্যাপ্ত ভিটামিন, মিনারেল, আয়রন, ফলিক এসিড ও এন্টি-অক্সিডেন্ট।

কমলাঃ কমলায় আছে পেকটিন নামে একপ্রকার আঁশ যা কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। আরও  আছে পটাসিয়াম, যা ব্লাড প্রেশার কমায়। এক গবেষণায় দেখা গেছে, হেসপিরিডিন নামের এন্টি-অক্সিডেন্টের উপস্থিতি থাকায় কমলার রস খেয়ে ব্লাড পেশার কমে গেছে।

সামুদ্রিক মাছঃ সামুদ্রিক মাছে আছে হার্টের জন্যে উপকারী ওমেগা-৩। রূপঁচাদা, কোরাল, রূপসা, লাক্ষা জাতীয় সামুদ্রিক মাছ বাংলাদেশে পাওয়া যায় সেগুলো খাওয়া যেতে পারে। বিদেশি সামুদ্রিক মাছের মধ্যে টুনা, স্যামন, সারডিন, ম্যাকারেল, হেরিং ইত্যাদি যদি সংগ্রহ করতে পারেন তাহলে খেতে পারেন।

শিমঃ শিমে আছে সয়া প্রোটিন, যা রক্তের ট্রাইগ্লিসারাইড মাত্রাকে কমায়। আধাকাপ শিমে আছে নয় গ্রাম কোলেস্টেরল কমাবার উপযোগী আঁশ।

গাজরঃ গাজর কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। এর মধ্যে যে ধরনের দ্রবণীয় আঁশ পাওয়া যায়, তা কোলেস্টেরল কমিয়ে থাকে।

ফলমূল ও সবুজ শাক-সবজিঃ নিয়মিত ফলমূল ও সবুজ শাক-সবজি খেলে হার্ট ভালো থাকে। বিশেষ করে, তাজা ফলের রস হার্টের জন্য খুবই ভালো। সবুজ শাক-সবজির মধ্যে পালংশাক, লাউ, কুমড়া, গাজর, বিট, বাঁধাকপি, ভুট্টা, লাল আলু ইত্যাদি হার্টের জন্য বেশ উপকারী।

এক কাপ আখরোট প্রতিদিনঃ  প্রতিদিন এক কাপ পরিমাণ আখরোট-জাতীয় ফল খেলে শরীরের রক্ত সঞ্চালনপ্রক্রিয়া কার্যকর হয়ে ওঠে। কেননা আখরোট-জাতীয় ফলে থাকে ওমেগা-৩ নামের চর্বি, যা বিভিন্ন ধরনের প্রদাহের বিরুদ্ধে শক্তিশালী অবস্থান নেয় এবং এর ফলে দূষিত রক্ত নিয়মিত পরিসঞ্চালিত হয়ে হার্টের গতি স্বাভাবিক রাখে।

যৌন কার্যকলাপ বজায় রাখুন: হার্টের জন্য সেক্স উপকারী। শরীর সতেজ রাখার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপায় হল যৌন কার্যকলাপ বজায় রাখা। এর ফলে শরীর থেকে প্রচুর হরমোন নিঃসৃত হয় ফলে স্ট্রেস কমে। স্ট্রেসের ফলে হার্টের বিভিন্ন সমস্যা দেখা যায়।

ডার্ক চকোলেট খান: ডার্ক চকোলেটে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফ্ল্যাভোনয়েড হার্টকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। তবে ডার্ক চকোলেট কীভাবে খেলে হার্ট সুস্থ থাকে আপনার তা অবশ্যই জানা উচিত। রাতে খাবার খাওয়ার পর এক টুকরো ডার্ক চকোলেট আপনাকে তৃপ্তি দেওয়ার পাশাপাশি আপনার হার্টকে সুস্থও রাখবে।

 গ্রিন টি : গ্রিন টিতে ক্যাটেচিন নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পরিমাণ বেশি পরিমাণে থাকে যা হৃদরোগের বিরুদ্ধে লড়াই করে। নিয়মিত গ্রিন টি পান করলে হৃৎপিণ্ড সুস্থ থাকে।

মাশরুম : মাশরুমে এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রোটিন আছে যা হার্ট অ্যাট্যাকের পাশাপাশি ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

সামুদ্রিক মাছ : সামুদ্রিক মাছে ওমেগা ৩ ও ওমেগা ৬, ভিটামিন ডি ইত্যাদি আছে। নিয়মিত সামুদ্রিক মাছ গ্রহণে হার্ট সুস্থ থাকে।

ওমেগা ৩ ও ওমেগা ৬ যুক্ত ওয়েল : যেকোনো ভেজিটেবল তেল বিশেষ করে  যেসব তেলে ওমেগা ৩ আছে সেসব তেল হার্টের জন্য ভালো। যেমন- অলিভ ওয়েল, ক্যানোলা ওয়েল, সানফ্লাওয়ার ওয়েল, সরিষার তেল এগুলোতে PUFA আছে অর্থাৎ পলি আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিড যা হার্টের জন্য ভাল।

কাঠবাদাম : কাঠবাদাম মস্তিষ্কের বুদ্ধি বৃদ্ধির পাশাপাশি হার্ট ভালো রাখে।

আদা : আদাতেও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে যা হার্টকে সুস্থ রাখে। নিয়মিত আদা চা, আদা পানি খাওয়া যেতে পারে।

This Post Has 549 Comments
  1. Hi there, I discovered your blog via Google even as looking for a related topic, your web site came up, it appears good. I have bookmarked it in my google bookmarks.

  2. I was actually itching to fix it some wager some change on some sports matches that are phenomenon above-board now. I wanted to allow in you guys identify that I did spot what I weigh to be the trounce plat in the USA.
    If you fall short of to get in on the engagement, check it out-moded: usa online casino

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!