fbpx
skip to Main Content
গর্ভবতী মায়েরা কি ভ্যাক্সিন নিতে পারবে?

বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকির আলোচনা করোনা মহামারী। ২০১৯-থেকে শুরু এই করোনা ভাইরাস মানুষের জীবন যাত্রা বেশ পালটে দিয়েছে । এরই মধ্যে উন্নত দেশ গুলো ভ্যাক্সিন আবিষ্কারসহ সবাই ভাক্সিনের আওতায়ও চলে এসছে। কিন্তু ভ্যাক্সিনের এই বিশেষ আলোচনার মধ্যে অন্যতম আলোচনা , গর্ভবতী মায়েরা এবং দুগ্ধদানকারী মায়েরা ভ্যাক্সিন নিতে পারবেন কিনা।

সারা বিশ্বে এই নিয়ে অনেক গবষেণা চালিয়েছেন ডাক্তাররা। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সিডিসি, এফডিএ এবং যুক্তরাজ্যের জয়েন্ট কমিটি অন ভ্যাক্সিনেশন অ্যান্ড ইমুনাইজেশন (JCVI) গর্ভবতী নারীদের জন্য করোনার টিকা দেওয়ার জন্য সুপারিশ করেছে। এ সুপারিশের পেছনে রয়েছে একটি গবেষণার ফলাফল। ৩৫ হাজার গর্ভবতী নারীর ওপর পরিচালিত গবেষণাটির ফলাফল সম্প্রতি দি নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অব মেডিসিনে প্রকাশিত হয়েছে।

এ গবেষণায় দেখা যাচ্ছে:

* টিকা নেওয়ার পর মায়েদের মৃত্যু বাড়ে না। 
* বাচ্চার কোনো ক্ষতি হয় না।
* জন্মগত ত্রুটি হয় না।
* বাচ্চার এবরশন হয় না। 
* পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া তেমন নেই।

এ গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল ফাইজার ও মডার্নার টিকা। সুতরাং এ কোম্পানির টিকা গর্ভবতীর জন্য নিরাপদ এবং করোনার টিকা প্রথম ১২ সপ্তাহের পরে যেকোনো সময় নেওয়ার জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।

শুধু তাই নয় বাংলাদেশের অবস্ট্রাক্টিক্যাল অ্যান্ড গাইনোকোলজিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশের (ওজিএসবি) সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডা. সামীনা চৌধুরী বলেন, ‘বিশ্বময় গবেষণায় দেখা গেছে, গর্ভবতী মায়েদের টিকা নেওয়ায় কোনো সমস্যা হয় না বরং লাভ হয়, তাদের ঝুঁকি কমে। যে মা শিশুকে দুধ খাওয়ান, তিনি টিকা নিলে শিশুর করোনা ঝুঁকি কমে। তাই (ওজিএসবি) সরকারকে গর্ভবতী মাকে টিকার আওতায় আনার প্রস্তাব করেছি।’ এর পক্ষে অনেক প্রমাণ থাকার পরেও অনেক  গর্ভবতী মায়েরা  টিকা নেয়া থেকে বিরত থাকছেন। কিন্ত বৈশ্বিক পরিক্ষা নিরীক্ষার প্রমান বারবার বলছে যে ভ্যাক্সিন নেয়াতে গর্ভবতি মায়েদের কোন সমস্যা নেই।

যুক্তরাজ্যের অথরিটি JCVI, RCOG সম্প্রতি মাতৃদুগ্ধদানকারী মায়েদের টিকা নেওয়ার জন্য সুপারিশ করছেন। তাদের হাতে যে Safety Data আছে; তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এ সুপারিশ করা হয়েছে এবং তাতে দেখা গেছে যে করোনার টিকা মাতৃদুগ্ধদানকারী মা ও তাদের শিশুদের জন্য নিরাপদ। টিকা দেওয়ার ফলে মায়ের শরীরে যে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়; সেই অ্যান্টিবডি শিশুর শরীরে যায় এবং শিশুদেরও রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। টিকার কোনো অংশ যেমন স্পাইক প্রোটিন ও অ্যান্টিজেন শিশুদের শরীরে যায় না। এজন্য বলা হচ্ছে এ টিকা মাতৃদুগ্ধদানকারী মায়েদের জন্য নিরাপদ।

আশাকরি আমাদের বাংলাদেশের গর্ভবতি মায়েদের করোনার টিকা নেয়ার ক্ষেত্রে তারা যেন কোন ভাবেই সংকোচ বোধ না করে। আমাদের বাংলাদেশই শুধু নয়, সারা বিশ্বেই এখন গর্ভবতি এবং দুগ্ধপানকারিণি সকলেই টিকা নিতে পারবেন। উপর্যুক্ত তথ্য থেকে আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন। নিজে টিকা নেন এবং আপনার সন্তানকেও সুস্থ্য রাখুন।

This Post Has 227 Comments
  1. Hello there, simply changed into aware of your weblog thru Google, and located that it’s truly informative. I’m gonna be careful for brussels. I will be grateful when you continue this in future. Many people can be benefited from your writing. Cheers!

  2. I’ve been surfing on-line more than 3 hours as of late, yet I by no means found any interesting article like yours. It is lovely worth sufficient for me. Personally, if all site owners and bloggers made just right content material as you probably did, the internet can be much more useful than ever before.

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!