fbpx
skip to Main Content
গর্ভে থাকাকালীন সময় শিশুর যত্ন

আপনি কি একজন মা? আপনি কি জানেন যে, গর্ভকালীন সময় কেন আপনার টক খেতে ইচ্ছে করত? আমি বলছি! সৃষ্টি কর্তা মানুষ কে এমন নিপুন ভাবে গড়েছেন তাঁর নিপুন হাতে যার খুত কেউ বের করতে পারবেনা এবং সৃষ্টির পরিপূর্ণ রহস্যও উদঘটন করতে পারবে না। গর্ভকালীন সময়ে কম বেশি সব নারীরই টক খাওয়ার ইচ্ছা জন্মায়। এর কারন হলো, মাতৃগর্ভে যে শিশু আছের এই টক বা ভিটামিন-সি দ্বারাই বাচ্চার পেটের চামড়া পুরু হয়।

এমন এক ঘটনা মেডিকেল সাইন্স কে ভাবিয়ে তুলেছিল। এক মা সন্তান জন্ম দেন কিন্তু সে সন্তানের পেটের চামড়া পুরোপুরি সাদাই ছিলো ভেতরের সব কিছুই দেখা যাচ্ছিলো। ডাক্তার রা দেখে চমকে গিয়েছিল এবং সেই মহিলাকে নিয়ে গবেষণা করে জানতে পারে যে, শিশু মাতৃগর্ভে থাকা কালীন সময় সে ভিটামিন-সি বা টক জাতিয় খাবার মোটেও খান নি। তাই এরুপ ঘটনা ঘটেছে।

এটা একটা সাধারন গল্প। এখনকার আল্ট্রা-মডার্ণ মায়েদের জন্য তো আছে অনেক হুমকি।আর তাঁর সাথে বাবাদের ও। মাতৃগর্ভে সন্তান থাকা কালীন সময়ে মাকে হতে হয় চৌকশ। নতুবা মা-সন্তান দুজনেরই মৃত্যুর ঝুকি অনেক।

মাতৃ গর্ভে সন্তানের ধাপ গুলো একটু দেখে নেই। এতে করে আপনি নিজেও বুঝবেন আপনার কখন কিভাবে থাকা দরকার। কেননা মাতৃগর্ভের প্রথম ৩ মাস এবং শেষের ৩ মাসের পরিচর্যা একরম নয়। প্রতিনিয়ত আপনাকে নিজের এবং বাচ্চার খেয়াল নিতে হবে। তাই আপনার জানা দরকার আপনার গর্ভে শিশুর অবস্থা কখন কি রকম।

গর্ভ ধারণের সঙ্গে সঙ্গে শিশুপ্রাণের সৃষ্টি। গর্ভ ধারণের ৬ দিনের মাথায় শিশুভ্রূণ জরায়ুর ভূমিতে ডুবে যায়। ২ সপ্তাহ বয়সের দিকে মায়ের রক্ত সঞ্চালন তন্ত্রের সঙ্গে তার যোগাযোগ গড়ে ওঠে। এ সময় সে থাকে দ্বিস্তরবিশিষ্ট। ৩য় সপ্তাহের দিকে অন্য তৃতীয় স্তরের সৃষ্টি হয় এবং এ সময়ে তার হৃদযন্ত্র পাম্প করা শুরু করে। ৪-৮ সপ্তাহের মধ্যে বিভিন্ন বিকাশ পর্ব পেরিয়ে মানুষের আদল পায় শিশুভ্রূণ। ছোট্ট হাত-পা সুশোভিত হয়ে কান মেলে, চোখের নিশানা দেখা যায়। ৮ সপ্তাহের শেষের দিকে এসে শরীরের প্রধান অঙ্গ-প্রত্যঙ্গেরসহ সব কুঁড়ি সাজানো হয়ে যায়। পরে সেসব আরও বৃদ্ধি পেয়ে পূর্ণাঙ্গ রূপ লাভ করে। ১২ সপ্তাহের মাথায় শিশুভ্রূণের লিঙ্গ বাহ্যিক ভাবেই চেনা যায়। যদিও তা নির্ধারিত হয়ে থাকে গর্ভধারণের সঙ্গে সঙ্গেই। এই হলো শিশুভ্রূণের মোটামুটি শরীরগত বিকাশ।

মাতৃগর্ভের ৩য় সপ্তাহের সময়ে ভবিষ্যৎ স্নায়ুতন্ত্র ও মগজের ভিত তৈরি হয়। ব্রেইনের বিভিন্ন বিভক্তি ধীরে ধীরে উন্মোচিত হয়। শতদল চক্র, আবাহনচক্র, পিঙ্গলা, সুষমা নালী সব প্রতিষ্ঠিত হয়ে থাকে। স্নায়বিক সূক্ষ্ম কারুকাজের এ বৃদ্ধি অন্ততঃপক্ষে শিশুর ২ বছর বয়স হওয়া পর্যন্ত থাকে অব্যাহত।

জরায়ুতে থাকাকালীনই শিশুর আচার-আচরণ ক্রমশ নির্দিষ্ট হয়ে থাকে। ৮ সপ্তাহ বয়সের মধ্যেই মাংসপেশির চালনা শুরু হয়ে যায়। ১৩-১৪ সপ্তাহের দিকে শ্বাস-প্রশ্বাস ক্রিয়া, ঢোক গেলা ইত্যাদি সম্পাদনে সে সক্ষম হয়ে ওঠে। গর্ভের ২৬ সপ্তাহের দিকে প্রথমবারের মতো চোখ মেলে এবং মধ্য গর্ভকালে পৌঁছেই নবজাতক শিশুর মতো নড়াচড়া ও হাত-পা ছোড়াছুড়ির সম্পূর্ণ কর্তৃত্ব অর্জন করে থাকে।

এবং এটাও জেনে নিন যে, একজন মা তিনি সর্বনিম্ন ২৪ সপ্তাহে বাচ্চা জন্ম দিতে পারেন এবং বাচ্চা ও মা পরিপূর্ণ সুস্থ থাকবেন। কেনন ভ্রূণ থেকে পরিপূর্ণ মানবে পরিণত হতে ছ্য মাস বা ২৪ সপ্তাহ সময় লাগে। আর ২৪ সপ্তাহ পরে সারফেক্টেন্ট নামক হরমন ক্ষরন হয়ে মা থেকে শিশু আলাদা জীবন লাভ করে।

একজন মহিলা যখন বাচ্চা জন্ম দেয়ার মন স্থির করে নেয় ঠিক তখন থেকেই তাঁর নিজের যত্ন বাচ্চার যত্ন শুরু করে দিতে হয়। এতে অনেক নিষেধাজ্ঞা মেনে নিতে হয় ।যেমন মা ধূমপান করতে পারবে না, এলকহোল নিতে পারবেনা কোনরক্ম নেশাদ্রব্য গ্রহন করা তো দূরে থাক তাঁর গন্ধও শুকতে পারবেনা। আমাদের বাজারে নানারকম কোমলপাণীয় আছে তাও পান করা যাবেনা।

মোট কথা ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া আপনাকে একপাও এগোনো যাবেনা। এরপর ন্যাচারাল খাবারের প্রতি বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। শাকসব্জি ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। বেশিবেশি ভিটামিন-সি যুক্ত খাবার খেতে হবে। তার সাথে সাথে শারীরিক ব্যায়াম করতে হবে। এবং মানসিক ভাবে দুশ্চিন্তা করা যাবেনা সবসময় সতেজ মেজাজে থাকতে হবে। এর জন্য হাসবেন্ডকেও সাহায্য করতে হবে এবং আগের থেকে ৩ গুণ বেশি খেয়াল নিতে হবে। এক কথায় আপনি আপনার স্ত্রীর খেয়াল যত ভাল করে নিবেন তার মানে আপনি আপনার সন্তানের যত্ন ঠিক তত ভালভাবে নিচ্ছেন।

মাতৃগর্ভে থাকা কালে মা ও শিশুর যত্ন নিন। পরিবারকে সুস্থ রাখুন।

This Post Has 306 Comments
  1. There are players who sign up with PlayOJO and who want to make big money but are reluctant to stake too much money. Players can still make money playing PlayOJO free spins no deposit so that you can taste just what PlayOJO Casino offers before spending too much money. You can win real cash while you are taking advantage of free spins. These free spins are the kind of bonus games which give players the chance to get a feel for a new casino and to give new games a try or play games without making deposits. Play ojo casino is a safe site that has received a license. Demand is due to an interesting system of proposals and services and security of personal information for each gamer. It is recommended to register on the page ojo casino playojocasinos.com in order to receive special offers and start playing certified simulators with real bets. Every week, the system organizes draws of gifts and contests for registered players, in addition, personal bonuses are sent to e-mail. https://theonlineworldnews.com/community/profile/davemcallister/ We currently have 0 complaints directly about this casino in our database, as well as 69 complaints about other casinos related to it. Because of these complaints, we’ve given this casino 8,278 black points in total, out of which 8,278 come from related casinos. You can find more information about all of the complaints and black points below. Yes. Casino.dk is compatible with Android and iOS. Sign up on your smartphone and download the Casino.dk app to enjoy the best gaming experience. Sign up at Casino.dk on mobile and claim your no-deposit bonus. Thanks to our Roulette games, you don’t have to leave the comfort of your own home to enjoy all the thrills and excitement a spin on the wheel can bring. To sum things up, Barbados Casino DK is a good online casino. It has many positive qualities, but there are also some negatives that have stopped it from getting an even better rating. You will most likely have an enjoyable experience at this casino.

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!