fbpx
skip to Main Content
জেদী বাচ্চাদের কিভাবে পরিচালনা করবেন?

ব্যাক্তিগত জীবনের সাথে বেশি রাগের কারনে ঘটে যাওয়া অনেক স্মৃতিই থাকে সবার জীবনে কম বেশি। বাচ্চাদের রাগে আর জিদের ব্যাপারটার আসলে কোন মানে থাকেনা। এখানে জেদ বিষয়টাকে রাগের সাথে কম্পেয়ার করেই বলছি কেননা জেদ থেকেই রাগের উৎপত্তি। তাই যা বলছিলাম, আমার ছোট ভাইয়ের একটা স্মৃতি বলি । সে আমাকে প্রচন্ড ভালবাসতো বাকি একদিন ছোট ভাইকে বললাম আমাদের বাসার নিচের পাগলির মেয়ের সাথে তোকে বিয়ে দিয়ে দেব। যেইনা বললাম অমনি সে বঠি/বটি নিয়ে তেঁরে আসলো। দরজা আটকে দিলাম কিন্তু সে ফুলে ফেপে দরজার উপরব বটি দিয়ে কোপাতে লাগলো । এই গল্প শুনে ছোট ভাই আমার আজও হাসে। এটার কোন মানেই ছিল না। কিন্তু তার জেদ ছিল কেন আমাকে বিয়ের কথা বলবে।

দেখুন আপনার সন্তান বিভিন্ন কারনেই জেদি হতে পারে। তার জেদের ধরন অনেক রকম হতে পারে। কেউ কেউ আছেন খেলনা বা বিভিন্ন জিনিস পত্রের জন্য জেদ ধরে থাকেন। অনেক ক্ষেত্রে এই জেদ আবার জিন থেকেও আসে। বাবার প্রচুর জেদ বা রাগ তাই ছেলেরও প্রচুর জেদ। আসলে সকল জেদই বুঝের মাধ্যমে কন্ট্রোল করা সম্ভব । আর একদিনেও বুঝানো সম্ভব না । তাই একটু একটু করে সন্তানকে বাস্তবতা বুঝাতে হবে । তার জেদ সব সময় মানা যাবেনা আবার সব সময় তার জেদ কে ফেলেও দেয়া যাবেনা। সন্তানকে বোঝাতে হবে, সঠিক বিষয়ের জন্য জেদ করা ঠিক।আছে।

আসুন তবে অল্প কিছু টিপস জেনে নেই শিশু যদি জেদ ধরে বা রাগ করে তবে কিভাবে বিষয়টা হ্যান্ডেল করবেন।

১. শিশু রেগে গেলে নিজে শান্ত থাকার চেষ্টা করুন। এতে শিশু নিজে নিজেই চুপ হয়ে যাবে এবং আপনার কথা শুনবে।

২. সন্তানের জেদ কমাতে তাকে জড়িয়ে ধরে আদর করুন ও খেলতে পারেন। বোর্ড গেম, মোল্ডিং ক্লে ইত্যাদি ভিন্ন ভিন্ন খেলায় তাকে ব্যস্ত রাখুন। এতে তার সৃজনশীলতা বাড়বে এবং সে ব্যস্তও থাকবে।

৩. শিশুদের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনুন। শিশুকে প্রশংসা করলে তারা খুশি হয়। তার সাথে সাথে উৎসাহ দেবেন বেশি বেশি এতে করে তাদের মন উৎফুল্ল থাকবে।

৪.  শিশুরা সুর বা গান ভালোবাসে। তাদের শান্ত করতে পছন্দের গান শোনাতে পারেন। এতে ধীরে ধীরে তারা শান্ত হয়ে যাবে এবং কান্না বন্ধ করে দেবে।

৫. শিশুদের শান্ত করতে স্পর্শ খুব কার্যকর। জড়িয়ে ধরা বা আদর করা মানসিকভাবে শান্ত করতে সহায়তা করে। এতে শিশুদের মানসিক অবস্থাও স্থির হয়। তাই শিশুকে শান্ত করতে তাকে জড়িয়ে ধরুন।

সন্তানের জেদকেও মাঝে মাঝে প্রাধান্য দিবেন এতে করে তার মাঝে বুদ্ধিদৃপ্ত ব্যাপার তৈরি হবে যে , আপনারা তাকে প্রাধান্য দিচ্ছেন। পরেরবার যখন জেদ ধরবে অবশ্যই ভাববে। ছোট বেলা থেকেই এই বিষয় গুলো বাচ্চাদেরকে শেখানো উচিৎ। এতে করে বড় হওয়ার সাথে সাথে সন্তানরা একটা মাত্রার পরে অবাধ্য হওয়ার কথা মাথায়ই আনবেনা।

This Post Has 2 Comments
  1. I don’t even understand how I finished up here, however I thought this post was once good. I don’t know who you might be but definitely you’re going to a well-known blogger should you aren’t already 😉 Cheers!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!